Featured

পানি

আকাশ এবং পৃথিবীর সৃষ্টিতে, দিন-রাতের পরিবর্তনে, মানুষের জন্য পণ্য নিয়ে সমুদ্রে ভেসে চলা জাহাজে, আকাশ থেকে আল্লাহর পাঠানো পানিতে, যা মৃত জমিকে আবার প্রাণ দেয়, এর মধ্যে সব ধরণের প্রাণীকে ছড়িয়ে দেয়, বাতাসের পরিবর্তনে এবং আকাশ এবং পৃথিবীর মাঝখানে মেঘের নিয়ন্ত্রিত চলাচলে —এসবের মধ্যে বিবেক-বুদ্ধির মানুষদের জন্য অবশ্যই বিরাট নিদর্শন রয়েছে। [আল-বাক্বারাহ ১৬৪

famaily on the island of dublar char

Babul his famaily live on the island of dublar char. life is good for the famaily now. but that wasn”t true often cyclone aila. babul doesn’t  remember cyclone aila. but his parents often talk about that terrible night in 2009.

 babuls father had a grocery shop and his mother worked in a fish farm.  the had a samll house that they shared with babuls grandparents  babul was just a baby but his sister nipa was six years old.

babul’s father told him what happened that day. there was night rain in the morning on 25 may. in the afternoon the wind started to blow and people bagain to run for their homes.

babuls father closed his shop and his mother come home .his grsandparents checked the famaily emargency kit .their torch was working and the had extra batteries. they put the toch batteries and first aid kit in plastic box. by the evening the river was rising. the winds of cyclone aila shook the walls of the house as if there was an earthquice.

every one was afraid .nipa began to cry. suddenly theye was an awful noise and the family roofe blew away the skay was dark but family could see trees flying over their heads .grandmother still says she saw fish flying through the sky .they next day was awful. babuls family couldn’t  stop crying. napa and grandfather were gone. babuls father went out to look for then .

he found nipa in a field. she was holding onto a tree and she was covered in mud .she didn’t remember anything. he took nipa at home and began looking for his father. he looked in the fields the bulinding and in the tree. many people in bangladesh were missing often cyclone aila and babuls grandfather was one of them.

 they famaily never found him after cyclone aila people worked togather. nipas school became the shelter for the survivors .babul his fafmaily went to live in the school.

the government of bangladesh and workers frome ngo came to help but things were very hard. there wasn’t enough safe drinking water or food so many peolple became ill .in time people repaired their homes and rebuilt their villages and bridges.

 they plant new trees and new crops in their filds. babuls feels happy when he looks at thetree and his sister nipa but he feels sad about hi grandfather. his grandmother says don’t be sad babul grandfather wants us to live for the future.

SabKicu . Sabkicu touches the heart of the online world.

SabKicu . Sabkicu touches the heart of the online world.Sabkicu came in a new way that will change your life.Always be with Sabkicu.

উত্‍স: SabKicu . Sabkicu touches the heart of the online world.

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন মোবাইলের বৈধতা যাচাই করে

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনhttps://sabkicu.blogspot.com/

#btrc#IMEI

 কমিশন  (বিটিআরসিহলো বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন২০০১ সনের ১৮ নং আইন   দ্বারা গঠিত এবং নিয়ন্ত্রিত একটি স্বাধীন বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।

The Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRChttps://sabkicu.blogspot.com/ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন

মোবাইলের  বৈধতা যাচাই করে । তাই আপনার মোবাইলের বৈধতা এখনি যাচাই করুন । এ  জন্য আপনার মোবাইল সেটটি হাতে নিন অথবা মোবাইল সেট ক্রয়ের পূর্বে *#06# চেপে আপনার মোবাইল ফোনের ১৫ ডিজিটের  IMEI  নম্বরটি দেখুন অথবা মোবাইলের ১৫ ডিজিটটি অন্য কোথাও লিখুন ।

এর পর    KYD<space>১৫ ডিজিটের   IMEI   লিখে ১৬০০২   এস এম এস করুন এবং আপনার মোবাইলের  বৈধতা যাচাই করুন ।

নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমাদের মনোভাব জানেন।

নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমাদের মনোভাব জানেন।

স্ত্রীলোকদের নিকট তোমরা ইংগিতে বিবাহ প্রস্তাব করিলে অথবা তোমাদের অন্তরে গোপন রাখিলে তোমাদের কোন পাপ নাই। আল্লাহ্ জানেন যে, তোমরা তাহাদের সম্বন্ধে অবশ্যই আলোচনা করিবে; কিন্তু বিধিমত কথাবার্তা ব্যতীত গোপনে তাহাদের নিকট কোন অঙ্গীকার করিও না; নির্দিষ্ট কাল পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিবাহকার্য সম্পন্ন করার সংকল্প করিও না। এবং জানিয়া রাখ, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমাদের মনোভাব জানেন। সুতরাং তাঁহাকে ভয় কর এবং জানিয়া রাখ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ক্ষমাপরায়ণ, পরম সহনশীল।https://sabkicu.blogspot.com/

#allah

وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيْمَا عَرَّضْتُمْ بِهٖ مِنْ خِطْبَةِ النِّسَآءِ اَوْ اَکْنَنْتُمْ فِىْٓ اَنْفُسِكُمْ‌ؕ عَلِمَ اللّٰهُ اَنَّكُمْ سَتَذْكُرُوْنَهُنَّ وَلٰـكِنْ لَّا تُوَاعِدُوْهُنَّ سِرًّا اِلَّاۤ اَنْ تَقُوْلُوْا قَوْلًا مَّعْرُوْفًا ‌
وَلَا تَعْزِمُوْا عُقْدَةَ النِّکَاحِ حَتّٰى يَبْلُغَ الْكِتٰبُ اَجَلَهٗ ‌ؕ وَاعْلَمُوْٓا اَنَّ اللّٰهَ يَعْلَمُ مَا فِىْٓ اَنْفُسِكُمْ فَاحْذَرُوْهُ ‌ؕ وَاعْلَمُوْٓا اَنَّ اللّٰهَ غَفُوْرٌ حَلِيْمٌ
আল্লাহ্ কাহারও উপর এমন কোন কষ্টদায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যাহা তাহার সাধ্যাতীত। সে ভাল যাহা উপার্জন করে তাহার প্রতিফল তাহারই এবং সে মন্দ যাহা উপার্জন করে তাহার প্রতিফল তাহারই। হে আমাদের প্রতিপালক! যদি আমরা বিস্মৃত হই অথবা ভুল করি তবে তুমি আমাদেরকে পাকড়াও করিও না। হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরুদায়িত্ব অর্পণ করিয়াছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করিও না। হে আমাদের প্রতিপালক ! এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করিও না যাহা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর, আমাদেরকে ক্ষমা কর, আমাদের প্রতি দয়া কর, তুমিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য কর।’

لَا يُكَلِّفُ اللّٰهُ نَفْسًا اِلَّا وُسْعَهَا ‌ؕ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ‌ؕ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَاۤ اِنْ نَّسِيْنَاۤ اَوْ اَخْطَاْنَا ‌ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَاۤ اِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهٗ عَلَى الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِنَا ‌‌ۚرَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ‌ ۚ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا اَنْتَ مَوْلٰٮنَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكٰفِرِيْن

সূরা আল বাকারা আয়াত নম্বরঃ ২৩৫ ২৮৬

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী আর নেই।

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী আর নেই।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার পর রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

#আল্লামাশাহআহমদশফী

শাহ আহমদ শফীর জন্ম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ারটিলা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম বরকম আলী, মা মোছাম্মাৎ মেহেরুন্নেছা বেগম। আহমদ শফীর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে। তাঁর বড় ছেলে মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ ও ছোট ছেলে আনাস মাদানি ।

 আল্লামা শফীর জানাজা শনিবার দুপুর ২টায় ।

আল্লামা শাহ আহমেদ শফীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার পৃথক শোক বার্তায় তারা সমবেদনা জানান। শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সবকিছু

রমযান মাস

প্রচ্ছদ বিষয় সিয়াম (রোজা) ও রামাদান
বিষয়সিয়াম (রোজা) ও রামাদান
রমযান মাস সংশ্লিষ্ট কিছু প্রচলিত ভুল-ভ্রান্তি
0
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না
রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-
অনুবাদঃ আব্দুল্লাহ ইবনে আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া । সম্পাদনাঃ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর, আর সালাত ও সালাম তার উপর, যার পরে কোনো নবী নেই। অতঃপর:

কিছু মুসলিম রমযান মাসের আগমনকে বিরক্তি ও অস্বস্তির সাথে গ্রহণ করে। আর তারা এর দ্রুত অতিক্রমণ আশা করে। আপনি তাদেরকে দেখবেন না এর আগমনে খুশি হতে। তারা এর ফযীলত ও বরকতসমূহের চিন্তা করে না। অথচ প্রত্যেক মুসলিমের উচিত হলো রমযান মাসকে আনন্দ ও ব্যাকুলতার সাথে গ্রহণ করা, সিয়াম ও ক্বিয়াম (সালাত) এর ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প হওয়া, সৎকর্ম দ্বারা পরিপূর্ণ করা; যেন সে এ মাস পার করে এমতাবস্থায় যে তার সকল গুনাহ ক্ষমা করা হয়েছে আর তার অবস্থা উন্নত হয়েছে।
ভুলসমূহের অন্যতম হলো—কিছু মুসলিমের রমযান মাসের ফযীলত সম্পর্কে অজ্ঞতা। তারা এ মাসকে গ্রহণ করে বছরের অন্যান্য মাসের ন্যায়, অথচ এটি ভুল; কারণ সহীহ হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِذَا جَاءَ رَمَضَانُ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ، وَصُفِّدَتِ الشَّيَاطِينُ»

“যখন রমযান আসে, জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করা হয়, আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলিত করা হয়।” [বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন]

অপর একটি বর্ণনায়:

«وَسُلْسِلَتِ الشَّيَاطِينُ»

“আর শয়তানদেরকে বেড়ি পরানো হয়।”

ভুলসমূহের মধ্যে হলো— কিছু মানুষ রোযার জন্য নিয়তকে নির্দিষ্ট করে না। যদি রোযাদার রমযান মাসের প্রবেশ সম্পর্কে জানে তাহলে তার উপর রোযার নিয়ত নির্দিষ্ট করা আবশ্যক হয়ে যায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে তার কথায় বর্ণিত হয়েছে:
«مَنْ لَمْ يُبَيِّتِ الصِّيَامَ مِنَ اللَّيْلِ، فَلَا صِيَامَ لَهُ»

“যে সিয়ামের নিয়ত রাত্রি হতে নির্দিষ্ট করে না, তার কোনো সিয়াম নেই।” [নাসাঈ বর্ণনা করেছেন]

ভুলসমূহের মধ্যে আরও হলো— কেউ কেউ নিয়ত মুখে উচ্চারণ করে। অথচ এটি ভুল। বরং অন্তরের নিয়ত নির্দিষ্ট করাই যথেষ্ট। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যা রাহিমাহুল্লাহ বলেন:
“والتكلم بالنية ليس واجبا بإجماع المسلمين، فعامة المسلمين إنما يصومون بالنية وصومهم صحيح “

“আর মুসলিমদের ঐকমত্যে নিয়ত মুখে বলা ওয়াজিব নয়। কারণ, সাধারণ মুসলিমরা অন্তরে নিয়ত করেই রোযা রাখে, আর এতেই তাদের সাওম বিশুদ্ধ হয়ে যায়।” [আল-ফাতাওয়া খণ্ড নং:২৫, পৃষ্ঠা নং:২৭৫]

ভুলসমূহের মধ্যে আরও হলো— কিছু রোযাদার মাগরিবের আযান অনুসরণ (উত্তর দেওয়া) ত্যাগ করে ইফতারে ব্যস্ত হয়ে যায়। আর এটি ভুল; কেননা রোযাদারের এবং বে-রোযাদার সবার জন্যই সুন্নত হলো মুয়াযযিনের (আযান) অনুসরণ করা এবং সে যা বলে তাই বলা। আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ، فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ المُؤَذِّنُ»

“যদি তোমরা ডাক (আযান) শোনো, তবে তোমরা বল যেরূপ মুয়ায্‌যিন বলেন।” [বুখারী ও মুসলিম একমত] আর মুয়ায্‌যিনকে অনুসরণ করতে হবে ইফতার করার সাথেও। কারণ মুয়ায্‌যিনকে অনুসরণ এবং আযান বলার সময় খাওয়ার থেকে নিবৃত্ত থাকার কথা বর্ণিত হয় নি। আল্লাহই অধিক জানেন।

ভুলসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো— ইফতার বিলম্বিত করা। কারণ সুন্নত হলো রোযাদার ওয়াক্ত প্রবেশ নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথে ইফতার করবে। এ সম্পর্কে সাহ্‌ল ইবন সা‘আদ আস-সা‘য়েদী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لاَ يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الفِطْرَ»

“মানুষ ততক্ষণ কল্যাণে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত তারা ইফতার ত্বরান্বিত করবে।” [বুখারী ও মুসলিম একমত]

অনুরূপভাবে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«بكِّروا بالإفطارِ، وأخِّروا السحورَ»

“তোমরা ইফতারকে ত্বরান্বিত কর এবং সাহরীকে বিলম্বিত করো।” [সহীহ আল-জামে‘উস সগীর]

ভুলসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো— ইফতারের সময় এবং পরে দো‘আ করা সম্পর্কে কিছু রোযাদারের অমনোযোগিতা। কারণ ইফতারের সময় দো‘আ করা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«ثلاث دعوات لا ترد: دعوة الوالد، ودعوة الصائم، ودعوة المسافر».

“তিনটি দো‘আ ফেরত দেওয়া হয় না: পিতার দো‘আ, রোযাদারের দো‘আ এবং মুসাফিরের দো‘আ।” [আহমাদ কর্তৃক বর্ণিত, শাইখ আলবানী একে সহীহ বলেছেন] সহীহ হাদীসে বর্ণিত দো‘আসমূহে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইফতারের সময় যা পড়তেন তার মধ্যে হলো:

«ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ»

“পিপাসা মিটেছে, শিরাগুলো সিক্ত হয়েছে এবং সাওয়াব সাব্যস্ত হয়েছে যদি আল্লাহ চান।” [সহীহ সুনান আবু দাউদ]

আর পানাহারের পর বর্ণিত দো‘আর মধ্যে হলো:

«اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيهِ وَأَطْعِمْنَا خَيْرًا مِنْهُ»

“হে আল্লাহ, আমাদেরকে এতে বরকত দিন এবং এ থেকে উত্তম ভক্ষণ করান।” [সহীহ সুনান আত-তিরমিযী]

অথবা তার বাণী:

«الحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ غَيْرَ مُوَدَّعٍ وَلَا مُسْتَغْنًى عَنْهُ رَبُّنَا»

“আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা; এমন প্রশংসা যা অঢেল, পবিত্র ও যাতে রয়েছে বরকত; যা বিদায় দিতে পারব না, আর যা হতে বিমুখ হতে পারব না, হে আমাদের রব।” [সহীহ সুনান আত-তিরমিযী]

অথবা তিনি বলেছেন:

«الحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلَا قُوَّةٍ»

“সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এ আহার করালেন এবং এ রিয্‌ক দিলেন যাতে ছিল না আমার পক্ষ হতে কোনো উপায়, ছিল না কোনো শক্তি-সামর্থ্য।” [সহীহ সুনান আত-তিরমিযী]

ত্রুটি-বিচ্যুতিসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো— যিনি তাদের ইফতার করিয়েছেন তার জন্য দো‘আ করা সম্পর্কে বিমুখতা। কারণ রোযাদার যদি কোনো সম্প্রদায়ের নিকট ইফতার করে তবে সুন্নত হলো তাদের জন্য দো‘আ করা যেরূপ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া করতেন কোনো সম্প্রদায়ের নিকট ইফতার করলে; তিনি বলতেন,
«أفطر عندكم الصائمون وأكل طعامكم الأبرار وتنزلت عليكم الملائكة»

“আপনাদের কাছে রোযাদাররা ইফতার করুন, আপনাদের খাবার যেন সৎলোকেরা খায়, আর আপনাদের জন্য ফিরিশতারা অবতীর্ণ হন।” [সহীহ আল-জামেউস সগীর]

অথবা বলতেন:

«اللهُمَّ، أَطْعِمْ مَنْ أَطْعَمَنِي، وَأَسْقِ مَنْ أَسْقَانِي»

“হে আল্লাহ, যে আমাকে আহার করাবে আপনি তাদেরকে আহার করান এবং যে আমাকে পান করাবে আপনি তাদেরকে পান করান।” [মুসলিম]

অথবা তিনি বলতেন:

«اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيمَا رَزَقْتَهُمْ، وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ»

“হে আল্লাহ, আপনি তাদেরকে যে রিয্‌ক দান করেছেন তাতে তাদের জন্য বরকত দিন এবং তাদের গুনাহ ক্ষমা করুন, আর তাদের প্রতি দয়া করুন।” [মুসলিম]

ত্রুটি-বিচ্যুতিসমূহের অন্যতম হলো— ইফতারের সময় কিছু রোযাদারের সুন্নত প্রয়োগ সম্পর্কে অসাবধানতা। আপনি তাদেরকে দেখবেন তারা এটি (ইফতার) শুরু করার ক্ষেত্রে রুত্বাব, (কাঁচাখেজুর), খেজুর এবং পানি দ্বারা শুরু না করে অন্য কিছুকে অগ্রাধিকার দেয় এগুলোর উপস্থিতি সত্ত্বেও। অথচ সুন্নত হলো রোযাদার ইফতার করবে রুত্বাব দ্বারা অথবা খেজুর দ্বারা; যদি না পায় (এ দুটো) তবে কয়েক ঢোক পানি পান করবে।
ভুলসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো— সেহরী ত্বরান্বিত করা এবং ইফতার বিলম্বিত করা অথবা সেহরী কখনোই না করা অথবা মধ্যরাতে তা খাওয়ার মাধ্যমেই যথেষ্ট মনে করা। আর এ সবগুলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিক-নির্দেশনার পরিপন্থি। কারণ মুস্তাহাব হলো রোযাদার সেহরী খাবে ফজর (ভোর) উদয়ের পূর্বে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথানুযায়ী:
«ثلاث من أخلاق النبوة: تعجيل الإفطار وتأخير السحور ووضع اليمين على الشمال في الصلاة»

“নবুয়তের চরিত্রের মধ্যে তিনটি: ইফতার ত্বরান্বিত করা, সেহরী বিলম্বিত করা, সালাতে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখা।” [ত্বাবরানী]

ভুলসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো— বালক-বালিকাদের সিয়াম পালনে অভ্যস্ত না করা। মুস্তাহাব হলো বালেগ হওয়ার পূর্বেই তাদেরকে সিয়ামে অভ্যস্ত করা যেন তারা এর চর্চাও অনুশীলনে অভ্যস্ত হয়। বিশেষভাবে যদি তারা তা সহ্য করে যেরূপ রাবী‘ ইবন মু‘আউয়ায হতে বর্ণিত তিনি বলেন:
«فَكُنَّا نُصَوِّمُ صِبْيَانَنَا، وَنَجْعَلُ لَهُمُ اللُّعْبَةَ مِنَ العِهْنِ، فَإِذَا بَكَى أَحَدُهُمْ عَلَى الطَّعَامِ أَعْطَيْنَاهُ ذَاكَ حَتَّى يَكُونَ عِنْدَ الإِفْطَارِ»

“আমরা আমাদের বালক সন্তানদেরকে রোযা রাখাতাম আর তাদের জন্য পশমি সুতা হতে খেলনা বানাতাম, যদি তাদের মধ্যে কেউ কাঁদত খাবারের জন্য তবে আমরা তাকে তা (খেলনা) দিতাম, এ অবস্থায় থাকত ইফতার হওয়া পর্যন্ত।” [বুখারী ও মুসলিম একমত][1]

ভুলসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো— কিছু রোগীর কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও রোযা রাখায় অটল থাকা। এটা ভুল; কারণ সত্য হলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা মানুষের থেকে সমস্যা তুলে নিয়েছেন এবং অসুস্থের জন্য তা ভাঙার ও পরবর্তীতে তা কাযা করার অনুমতি দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ ٱلشَّهۡرَ فَلۡيَصُمۡهُۖ وَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوۡ عَلَىٰ سَفَرٖ فَعِدَّةٞ مِّنۡ أَيَّامٍ أُخَرَۗ ﴾ [البقرة: ١٨٥]

“কাজেই তোমাদের মধ্যে যে এ মাস পাবে সে যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে। তবে তোমাদের কেউ অসুস্থ থাকলে বা সফরে থাকলে অন্য দিনগুলোতে এ সংখ্যা পূরণ করবে।” [সূরা আল-বাকারাহ: ১৮৫]

ভুলসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো— রমযানে দিনের বেলা মিসওয়াক ব্যবহার করায় সমস্যা বা অসুবিধা আছে মনে করা। হয়তো তারা মনে করে মিসওয়াক ব্যবহার করলে রোযা ভাঙে আর এটি ভুল। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ صَلاَةٍ»

“আমি যদি উম্মতের উপর দুঃসহ মনে না করতাম তবে তাদেরকে প্রতি সালাতের সময় মিসওয়াক করার আদেশ দিতাম।” [বুখারী ও মুসলিম একমত]

ইমাম বুখারী –রাহিমাহুল্লাহ— বলেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযাদারকে নির্দিষ্ট করেন নি অন্য কিছু থেকে।” আর শাইখ ইবন উসাইমিন –রাহিমাহুল্লাহ- বলেন, “আর মিসওয়াক দ্বারা রোযাদারের রোযা ভাঙে না বরং তা সর্বদাই দিনের শুরুতে অথবা শেষে রোযাদার ও বে-রোযাদার সবার জন্য সুন্নত।

আর সালাত ও সালাম আমাদের নবী মুহাম্মাদের উপর, আর তার পরিবার ও সকল সাথীদের উপর।

ঈমান

নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে এবং স্বীয় পালনকর্তার সমীপে বিনতি প্রকাশ করেছে তারাই বেহেশতবাসী, সেখানেই তারা চিরকাল থাকবে।

ASA jobs Circular April 2018 – www.asa.org.bd

ASA jobs Circular noticed new job circular at http://www.asa.org.bd Job circular offer 05 new some in Dhaka. ASA Career updates like Educational Qualification, Job Experience, Age Limit update by http://www.ejobscircular.com. Read about this short Information about asa jobs and then Apply …

Source: ASA jobs Circular April 2018 – www.asa.org.bd

মদ

তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দাও, এতদুভয়ের মধ্যে রয়েছে মহাপাপ। আর মানুষের জন্যে উপকারিতাও রয়েছে, তবে এগুলোর পাপ উপকারিতা অপেক্ষা অনেক বড়। আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, কি তারা ব্যয় করবে? বলে দাও, নিজেদের প্রয়োজনীয় ব্যয়ের পর যা বাঁচে তাই খরচ করবে। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্দেশ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা করতে পার।

আসর

1 بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ وَالْعَصْرِ
কসম যুগের (সময়ের),
By (the Token of) Time (through the ages),
2 إِنَّ الْإِنْسَانَ لَفِي خُسْرٍ
নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত;
Verily Man is in loss,
3 إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ
কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে তাকীদ করে সত্যের এবং তাকীদ করে সবরের।
Except such as have Faith, and do righteous deeds, and (join together) in the mutual teaching of Truth, and of Patience and Constancy.ে

ঘুস

তোমরা অন্যায়ভাবে একে অপরের সম্পদ ভোগ করো না। এবং জনগণের সম্পদের কিয়দংশ জেনে-শুনে পাপ পন্থায় আত্নসাৎ করার উদ্দেশে শাসন কতৃপক্ষের হাতেও তুলে দিও না।

হালাল

আজ তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করা হল। আহলে কিতাবদের খাদ্য তোমাদের জন্যে হালাল এবং তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল। তোমাদের জন্যে হালাল সতী-সাধ্বী মুসলমান নারী এবং তাদের সতী-সাধ্বী নারী, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের পূর্বে, যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর তাদেরকে স্ত্রী করার জন্যে, কামবাসনা চরিতার্থ করার জন্যে কিংবা গুপ্ত প্রেমে লিপ্ত হওয়ার জন্যে নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের বিষয় অবিশ্বাস করে, তার শ্রম বিফলে যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

পৃথিবী

আর পৃথিবীতে কোন বিচরণশীল নেই, তবে সবার জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহ নিয়েছেন তিনি জানেন তারা কোথায় থাকে এবং কোথায় সমাপিত হয়। সবকিছুই এক সুবিন্যস্ত কিতাবে রয়েছে।

হারাম

অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের জন্যে হারাম করেছেন রক্ত, শুকরের মাংস এবং যা জবাই কালে আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম উচ্চারণ করা হয়েছে। অতঃপর কেউ সীমালঙ্ঘন কারী না হয়ে নিরুপায় হয়ে পড়লে তবে, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সুরা আদিয়াত

بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু

[1] وَالعٰدِيٰتِ ضَبحًا

[1] শপথ উর্ধ্বশ্বাসে চলমান অশ্বসমূহের,

[1] By the (steeds) that run, with panting.


[2] فَالمورِيٰتِ قَدحًا

[2] অতঃপর ক্ষুরাঘাতে অগ্নিবিচ্ছুরক অশ্বসমূহের

[2] Striking sparks of fire (by their hooves),


[3] فَالمُغيرٰتِ صُبحًا

[3] অতঃপর প্রভাতকালে আক্রমণকারী অশ্বসমূহের

[3] And scouring to the raid at dawn.


[4] فَأَثَرنَ بِهِ نَقعًا

[4] ও যারা সে সময়ে ধুলি উৎক্ষিপ্ত করে

[4] And raise the dust in clouds the while,


[5] فَوَسَطنَ بِهِ جَمعًا

[5] অতঃপর যারা শক্রদলের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে-

[5] Penetrating forthwith as one into the midst (of the foe);


[6] إِنَّ الإِنسٰنَ لِرَبِّهِ لَكَنودٌ

[6] নিশ্চয় মানুষ তার পালনকর্তার প্রতি অকৃতজ্ঞ।

[6] Verily, man (disbeliever) is ungrateful to his Lord;


[7] وَإِنَّهُ عَلىٰ ذٰلِكَ لَشَهيدٌ

[7] এবং সে অবশ্য এ বিষয়ে অবহিত

[7] And to that he bears witness (by his deeds);


[8] وَإِنَّهُ لِحُبِّ الخَيرِ لَشَديدٌ

[8] এবং সে নিশ্চিতই ধন-সম্পদের ভালবাসায় মত্ত।

[8] And verily, he is violent in the love of wealth


[9] ۞ أَفَلا يَعلَمُ إِذا بُعثِرَ ما فِى القُبورِ

[9] সে কি জানে না, যখন কবরে যা আছে, তা উত্থিত হবে

[9] Knows he not that when the contents of the graves are poured forth (all mankind is resurrected)?


[10] وَحُصِّلَ ما فِى الصُّدورِ

[10] এবং অন্তরে যা আছে, তা অর্জন করা হবে?

[10] And that which is in the breasts (of men) is made known?


[11] إِنَّ رَبَّهُم بِهِم يَومَئِذٍ لَخَبيرٌ

[11] সেদিন তাদের কি হবে, সে সম্পর্কে তাদের পালনকর্তা সবিশেষ জ্ঞাত।

[11] Verily, that Day (i.e. the Day of Resurrection) their Lord will be Well-Acquainted with them (as to their deeds and will reward them for their deeds).

Sura Fatiha

بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু

[1] بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ

[1] শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

[1] In the name of Allah, the Beneficent, the Merciful.


[2] الحَمدُ لِلَّهِ رَبِّ العٰلَمينَ

[2] যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

[2] All the praises and thanks be to Allah, the Lord of the ‘Âlamîn (mankind, jinn and all that exists).


[3] الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ

[3] যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

[3] The Most Gracious, the Most Merciful


[4] مٰلِكِ يَومِ الدّينِ

[4] যিনি বিচার দিনের মালিক।

[4] The Only Owner (and the Only Ruling Judge) of the Day of Recompense (i.e. the Day of Resurrection)


[5] إِيّاكَ نَعبُدُ وَإِيّاكَ نَستَعينُ

[5] আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

[5] You (Alone) we worship, and You (Alone) we ask for help (for each and everything).


[6] اهدِنَا الصِّرٰطَ المُستَقيمَ

[6] আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,

[6] Guide us to the Straight Way.


[7] صِرٰطَ الَّذينَ أَنعَمتَ عَلَيهِم غَيرِ المَغضوبِ عَلَيهِم وَلَا الضّالّينَ

[7] সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

[7] The Way of those on whom You have bestowed Your Grace, not (the way) of those who earned Your Anger (such as the Jews), nor of those who went astray (such as the Christians).

sura kuris

بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু

[1] لِإيلٰفِ قُرَيشٍ

[1] কোরাইশের আসক্তির কারণে,

[1] (It is a great Grace and protection from Allâh), for the taming of the Quraish,

[2] إۦلٰفِهِم رِحلَةَ الشِّتاءِ وَالصَّيفِ

[2] আসক্তির কারণে তাদের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের।

[2] (And with all those Allâh’s Grace and Protections for their taming, We cause) the (Quraish) caravans to set forth safe in winter (to the south), and in summer (to the north without any fear),

[3] فَليَعبُدوا رَبَّ هٰذَا البَيتِ

[3] অতএব তারা যেন এবাদত করে এই ঘরের পালনকর্তার

[3] So let them worship (Allâh) the Lord of this House (the Ka’bah in Makkah).

[4] الَّذى أَطعَمَهُم مِن جوعٍ وَءامَنَهُم مِن خَوفٍ

[4] যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার দিয়েছেন এবং যুদ্ধভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন।

[4] (He) Who has fed them against hunger, and has made them safe from fear.

%d bloggers like this: